পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবনে সহযোগিতা কামনা, ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’তে জনশক্তি প্রেরণের আগ্রহ
কূটনৈতিক ডেস্ক / ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. হুমায়ুন কবিরের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কার্মা হামু দর্জি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ভুটানের রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
সার্ক পুনরুজ্জীবনে জোর ও রাষ্ট্রদূতের সমর্থন আহ্বান
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী উদ্যোগের কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চলের জনগণ ও সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে সার্ককে পুনরায় কার্যকর ও সক্রিয় করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে সার্কের পুনরুজ্জীবনে ভুটানের বলিষ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ বিনির্মাণে সহায়তার প্রস্তাব
আলোচনাকালে ভুটানের যুগান্তকারী মেগা প্রকল্প ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি)-এর উন্নয়ন কার্যক্রমে বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এই শহরের ভৌত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ, দক্ষ ও আধাদক্ষ মানবসম্পদ সরবরাহ করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
ভুটানের রাজার ঢাকা যাত্রাবিরতিতে উষ্ণ অভ্যর্থনার প্রশংসা
সাক্ষাৎকালে ভুটানের রাষ্ট্রদূত স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ভুটানের মহামহিম রাজা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেন। সে সময় বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সশরীরে উপস্থিত হয়ে রাজাকে দেওয়া উষ্ণ ও আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য ভুটান সরকারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত। একই সাথে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জানান।
এস এম সোহাগ ফরাজী