• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কলেজের জানালা-গ্রিল ও ফ্যান চু/রির অভি/যোগে ছাত্রদল সভাপতি আ/টক ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আ.লীগ নেতার : ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধার ম-র-দে-হ উদ্ধার জাপানে চার দিনের সফল সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ‘সংগ্রাম শুরু করো মুক্তির, দিন নেই তর্ক ও যুক্তির’: রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে স্কুলছাত্রী কৃষ্ণা দে নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন এবার ভোট কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক জামায়াতের ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে প্রমাণিত হলো জামায়াতের জান্নাতের টিকিট আর কোথাও কাজে দেবে না’: রাশেদ খান প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মাদ্রাসা শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের জেরে আটক

আজ যদি পাকিস্তানের হিন্দু ধর্মের মানুষ এসে বলতেন তারা বাংলাদেশে একটি শ্রীরাম মূর্তি নির্মাণ করবে তাহলে তারা হাসতে হাসতে তৈরি করে দিত

এস এম সোহাগ ফরাজী / ১৫৩ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

ধর্মীয় সহনশীলতা ও ‘দালাল’ তকমার রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন এথিনা তাবাসসুম মীম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ধর্মীয় সহনশীলতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিকভাবে ‘দালাল’ তকমা দেওয়ার সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এথিনা তাবাসসুম মীম।

 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “আজ যদি পাকিস্তানের হিন্দু ধর্মের মানুষ এসে বলতেন তারা বাংলাদেশে একটি শ্রীরাম মূর্তি নির্মাণ করতে চান, তাহলে দেখতেন আমাদের দেশের বেশির ভাগ মুসলিম ভাইরা হাসতে হাসতে নাচতে নাচতে মূর্তি নির্মাণ করতে দিতেন। তখন তাদের গায়ে এত লাগত না।”

 

তিনি আরও বলেন, “হাসিনার আমলে পাকিস্তানের দালাল বলা হতো, এখন বলা হচ্ছে ভারতের দালাল, আবার ইউনূসের সময় আমেরিকার দালাল বলেও ট্যাগ দেওয়া হতো। আমাদের কি সারাজীবন এভাবে অন্য দেশের দালাল ট্যাগ পেয়েই চলতে হবে? আমরা কবে বাংলাদেশের দালাল হব?”

 

ধর্মীয় স্থাপনা ও ভাস্কর্য নির্মাণ প্রসঙ্গে এথিনা তাবাসসুম মীম মালয়েশিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, “যারা বাংলাদেশের মতো মুসলিম প্রধান দেশে বড় শ্রীরামের মূর্তি নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা কি জানেন যে মালয়েশিয়ায় অনেক বড় মুরুগান মূর্তি আছে? মালয়েশিয়াও তো একটি মুসলিম প্রধান দেশ। সেখানে তো কেউ বলল না এত বড় মুরুগান মূর্তি কেন এখানে থাকবে?”

 

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ ধর্মীয় সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের পক্ষে তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন।

 

তবে এথিনা তাবাসসুম মীমের বক্তব্য মূলত ধর্মীয় সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক।

দৈনিক জীবন যাএা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd