• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ: নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ হাতীবান্ধায় ৩ জনকে আহত করা চিতাবাঘের সন্ধান মেলেনি সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ। চার বছর পর বাড়ি ফেরা হলো না জাহেদের, দোহা বিমানবন্দরে প্রাণ গেল প্রবাসীর লংমার্চের প্রচার মিছিলে জামায়াত নেতার মৃ/ত্যু কলেজের জানালা-গ্রিল ও ফ্যান চু/রির অভি/যোগে ছাত্রদল সভাপতি আ/টক ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আ.লীগ নেতার : ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধার ম-র-দে-হ উদ্ধার জাপানে চার দিনের সফল সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:

বঁটি দিয়ে কু+পি-য়ে মায়ের মাথা বি-চ্ছি-ন্ন করলো শিক্ষক ছেলে: এলাকায় চরম চাঞ্চল্য, খু-নি পলাতক

শাহ্ তোফাজ্জল হোসেন ভানডারী / ২৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

যশোরে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে মায়ের মাথা বিচ্ছিন্ন করলো শিক্ষক ছেলে: এলাকায় চরম চাঞ্চল্য, খুনি পলাতক

শাহ তোফাজ্জুল হোসেন ভান্ডারী, স্টাফ রিপোর্টার: যশোরে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ জন্মদাত্রী মাকে ধারালো বঁটি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে স্কুলশিক্ষক ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায় যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের বাজে দুর্গাপুর গ্রামে এ রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।

নিহত ও অভিযুক্তের পরিচয়

নিহত নারীর নাম আনোয়ারা বেগম (৫৮)। তিনি বাজে দুর্গাপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আলতাফ হোসেন মাস্টারের স্ত্রী।

অভিযুক্ত ছেলের নাম মামুনুর রশীদ মামুন (৪০)। তিনি স্থানীয় লাউজানি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার পরপরই তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

ঘটনার বিবরণ ও নেপথ্যের কারণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক মামুনের পূর্বে দুটি বিয়ে হয়েছিল। তবে পারিবারিক কলহ ও দাম্পত্য অশান্তির কারণে উভয় স্ত্রীর সঙ্গেই তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। মামুন তাঁর সংসার ভাঙার জন্য নিজের মাকে দায়ী মনে করতেন। এ নিয়ে অতীতেও একাধিকবার মায়ের সঙ্গে তাঁর তীব্র বিরোধ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাঁকে পাবনা মানসিক হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল এবং সেখানে তিনি প্রায় তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মামুন দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকতেন না। প্রায় পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি হঠাৎ বাড়িতে আসেন। ঘরে মায়ের সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে ধারালো বঁটি এনে মায়ের গলায় উপর্যুপরি কোপ দেন। এতে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের পরপরই মামুন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পুলিশি তৎপরতা ও বক্তব্য

খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “পারিবারিক ক্ষোভ ও কলহের জেরে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পরপরই ঘাতক ছেলে পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা করছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।”

 

এস এম সোহাগ ফরাজী

দৈনিক জীবনযাত্রা

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd