হাসনাত-সারজিস ও রুমিন ফারহানাকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন: রাশেদ খানের ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড়
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা: চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে প্রচলিত নানা সমালোচনা ও রাজনৈতিক গুঞ্জন নিয়ে একটি পর্যবেক্ষণমূলক স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনের পেছনের নানা চটকদার আলোচনা ও কটাক্ষের বিবরণ তুলে ধরেন।
অভ্যুত্থানকালীন প্রেক্ষাপট ও এনসিপি নেতাদের নিয়ে গুঞ্জন
রাশেদ খান তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে ১৯ জুলাই তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে একশ্রেণির লোকজন হাসনাত আব্দুল্লাহকে কটাক্ষ করে ‘হাসিনার আব্দুল্লাহ’ নামে ডাকত। এছাড়া ডিবি হেফাজতে অন্যান্য সমন্বয়কদের অবস্থানের বিপরীতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের অবস্থান নিয়ে সে সময় পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও নানা মুখরোচক ও তির্যক আলোচনা প্রচলিত ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
রুমিন ফারহানাকে নিয়ে রাজনৈতিক সমীকরণ
পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণের চিত্র তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ কর্তৃক সাবেক বিএনপি নেত্রী ও বর্তমান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ‘বিএনপির আওয়ামী বিষয়ক সম্পাদক’ আখ্যা দেওয়ার পর রাজনৈতিক মাঠে নতুন আলোচনা তৈরি হয়। এরপর থেকেই সাধারণ মানুষ ও চায়ের আড্ডায় রুমিন ফারহানার বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ও তাঁর সংসদীয় বক্তব্যের সুর নিয়ে নানা ধরনের তুলনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান উল্লেখ করেন, এসব বক্তব্য ও কটাক্ষ সম্পূর্ণই রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা কথা, যা তিনি কেবল তুলে ধরেছেন।
এস এম সোহাগ ফরাজী।