• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
১১ বছরে বিয়ে, ১৩তেই মা: দুই মাস পর লিগ্যাল এইডের আইনি লড়াইয়ে সন্তানকে বুকে পেল কিশোরী বিশ্বনাথে বসতঘর থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গুলশান থেকে গ্রেফতার: শাপলা চত্বরের মামলায় অ্যাকশন সিলেটে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন: ১৩ উপজেলা কমিটি ও জুলাই পদযাত্রার সূচি ঘোষণা, হবিগঞ্জে হামলার বিচার দাবি সিলেটে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ: মোগলবাজারে চাঞ্চল্য পটুয়াখালীতে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুব জামায়াত সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা, সিআইডি প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন জুলাই নিয়ে যেকোনো অপতৎপরতা বিএনপি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে: সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রায়’ হামলার প্রতিবাদ: মৌলভীবাজারের কর্মসূচি স্থগিত করে এনসিপির বিক্ষোভের ডাক শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ: ৯৯৯-এ কলে দম্পতি উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস আজ: শহীদদের রক্তের ঋণ শোধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর ‎

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস আজ: শহীদদের রক্তের ঋণ শোধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী

‎জাতীয় ডেস্ক | দৈনিক জীবনযাত্রা:

‎আজ ১৬ জুলাই, ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ২০২৪ সালের এই রক্তঝরা দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বুক পেতে দিয়ে স্বৈরাচারের বুলেট বরণ করা অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক ও অসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে সারা দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বর্তমান সরকার।

‎ঐতিহাসিক এই দিবসটি উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ এক বিশেষ বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি শহীদ আবু সাঈদ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

‎১৬ জুলাই: জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ

‎আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অকুতোভয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন বীর তরুণ শহীদ হয়েছিলেন।

‎রংপুরের পিচঢালা রাজপথে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দেওয়া শহীদ আবু সাঈদের সেই মহিমান্বিত দৃশ্য তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল। বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সাঈদের ওপর পুলিশের উপর্যুপরি গুলিবর্ষণের সেই নির্মম দৃশ্য দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দেয়। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন মুহূর্তেই ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে রূপ নেয়। যার ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার এক অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসক দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

‎”শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যেতে পারে না” — প্রধানমন্ত্রী

‎বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন,

‎”১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম প্রয়োগ এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে আমাদের নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা গোটা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দুই হাত প্রসারিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; সেটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের চিরন্তন প্রতীক।”

‎প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করেন যে, জুলাইয়ের সেই গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি তাৎক্ষণিক আন্দোলন ছিল না। এটি ছিল বিগত দেড় দশক ধরে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, সীমাহীন লুণ্ঠন, গুম-খুন, দমন-পীড়ন এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে পুরো জাতির এক পুঞ্জীভূত ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ।

‎শহীদদের রক্তের ঋণে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের শপথ

‎আজ ঐতিহাসিক সেই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ়তার সাথে ব্যক্ত করেন, বর্তমান সরকার শহীদদের পবিত্র আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বিশ্বাস করেন, শহীদদের এই পবিত্র রক্ত কখনো বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা কেবল ইতিহাসের গৌরব নয়, এটি আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের বড় অনুপ্রেরণা।

‎তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যারা নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের পথ ধরেই বাংলাদেশ আজ নতুন করে গণতন্ত্রের সুবর্ণ আলোয় যাত্রা শুরু করেছে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই কেবল এই অকুতোভয় শহীদদের রক্তের ঋণ আংশিক পরিশোধ করা সম্ভব।

‎———

‎এস এম সোহাগ ফরাজী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd