• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সৌদি আরবে রান্না ও ঘুমানো নিয়ে দ্বন্দ্বে রুমমেটের ছু-রি-কা-ঘা-তে সিলেটের যুবক মতিউর খু/ন: ৩ মাসের সন্তান রেখে গেলেন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে চালু হচ্ছে বিদ্যুতের ট্রেন: ব্যয় ৩ হাজার ৮২ কোটি টাকা, এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সাথে অধ্যাপক ডা. সাইফুল আজম রঞ্জুর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়: বিশেষ উপহার প্রদান বাজার তদারকি: ডিম ও মুরগির বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযান, ৩৯ জেলায় ৬ লাখ টাকা জরিমানা ট্রেনে চেপে মাওয়ায় নিখোঁজ ৪ শিশু: পদ্মা সেতু উত্তর থানা পুলিশের মানবিক তৎপরতায় উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর তারা জিন্দা থাকতে এক মোটু ভাত দাওনি মা বাবার মুখে: জনপ্রিয় গানের স্বীকৃতি চান ভিখারি দেলোয়ার দেওয়ান, বিচার চাইলেন দেশবাসীর কাছে বিশ্বনাথে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেফতার: আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি বনানীর হোটেল থেকে ‘ডেভিল’ হাজী স্বপন ফের গ্রেফতার: ছাতক থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় রিমান্ডের প্রস্তুতি বিশ্বনাথে পৌর ছাত্রদল নেতার বাসায় হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুর: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের ৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা গলাচিপায় পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান: ৫২ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি দিদারুল ইসলাম জিকু গ্রেফতার

আদালতেই ডিভোর্সের কাগজ ছিঁড়ে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী

এস এম সোহাগ ফরাজী / ৬৬ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

‎৫ বছরের ডিভোর্স মামলা, আদালতেই ছিঁড়ে ফেললেন বিচ্ছেদের কাগজ; স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী

‎আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি জমে থাকা ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা—সবকিছু যেন মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল ভালোবাসার এক আবেগঘন দৃশ্যে। যে আদালত চত্বরে প্রতিদিন বিচ্ছেদ, বিরোধ আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হলো পুনর্মিলনের এক বিরল নজির।

‎ভারতের দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতে বিচারকের সামনেই ডিভোর্সের নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরেন এক নারী। আদালতে উপস্থিত আইনজীবী, বিচারক এবং দুই পরিবারের সদস্যরা এ দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ঘটনাটির ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

‎জানা গেছে, ২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। ছোটখাটো পারিবারিক অশান্তি ধীরে ধীরে বড় ধরনের বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুজনই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং আদালতে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেন।

‎এরপর কেটে যায় দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব এবং আদালতে যাতায়াতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে উভয় পরিবার। বিশেষ করে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এবং মামলার খরচ চালাতে গিয়ে শিখার বাবা তাঁর জীবনের সঞ্চয়ের বড় একটি অংশ ব্যয় করেন। দীর্ঘ এই আইনি লড়াই পরিবারটির ওপর আর্থিক ও মানসিক—দুই ধরনের চাপই সৃষ্টি করে।

‎সম্প্রতি মামলার একটি শুনানিতে আদালতের মধ্যস্থতায় দুজনের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়। কথোপকথনের একপর্যায়ে তারা নিজেদের ভুল বোঝাবুঝি দূর করার চেষ্টা করেন। এরপর হঠাৎ করেই আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। শিখা ডিভোর্সের কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলেন এবং স্বামী সৌরভকে জড়িয়ে ধরেন। পরে দুজনই একসঙ্গে নতুন করে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

 

 

‎এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, আইনের কঠোর প্রক্রিয়া যেখানে কখনও কখনও সম্পর্ককে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়, সেখানে পারস্পরিক বোঝাপড়া, মানবিকতা এবং ভালোবাসা অনেক সময় অসম্ভবকেও সম্ভব করে তুলতে পারে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd