• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ফরাসি বিনিয়োগের আহ্বান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোর বিশ্বজয়ী হাফেজদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বৃদ্ধিতে ভূয়সী প্রশংসা দেশে ৭ মাসে ৪০০ নারী ধ-র্ষ-ণ ও ২১৩ শিশু হ-ত্যা: বিচারহীনতা ও সমন্বয়হীনতায় আসকের সংলাপে গভীর উদ্বেগ সাহিত্য সতত সুন্দর: সাহিত্যের নিরপেক্ষতা, বাংলা ভাষার প্রাচীন শিকড় ও রাজা শশাঙ্কের বিস্মৃত ইতিহাস আসিফ মাহমুদকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে—জুলাই যোদ্ধা নাফসিন মেহনাজ আজিরীন অপপ্রচার ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হেযবুত তওহীদ ওলামা ফোরামের মানববন্ধন আঞ্চলিক স্বাস্থ্য সহযোগিতায় পিপিপি-ভিত্তিক যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জগন্নাথপুরে ইউটিউবার সোনা মিয়ার চুল কেটে ন্যাড়া করার ভিডিও ভাইরাল বিশ্বমানের দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদ তৈরিতে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অপরিসীম: বঙ্গভবনে রুয়েট প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বিয়ের অনুষ্ঠানের নামে ডেকে নৃত্যশিল্পীকে ‘সং-ঘ-ব-দ্ধ ধ-র্ষ-ণ’: বিয়ানীবাজার থেকে এসআরবি-৯ এর জালে পলাতক মুজাহিদ

তারা জিন্দা থাকতে এক মোটু ভাত দাওনি মা বাবার মুখে: জনপ্রিয় গানের স্বীকৃতি চান ভিখারি দেলোয়ার দেওয়ান, বিচার চাইলেন দেশবাসীর কাছে

Reporter Name / ৭৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘মরলে খাওয়াও পাড়ার লোকে ডেকে’: জনপ্রিয় গানের স্বীকৃতি চান ভিখারি গিতিকার দেলোয়ার দেওয়ান, বিচার চাইলেন দেশবাসীর কাছে

সংস্কৃতি ও সাহিত্য ডেস্ক: “তারা জিন্দা থাকতে এক মোটো ভাত দাওনি মা-বাবার মুখে, মরলে খাওয়াও পাড়ার লোকে ডেকে”—মা-বাবার প্রতি সন্তানের অবহেলা এবং মৃত্যুর পর লোকদেখানো আনুষ্ঠানিকতার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা বহুল আলোচিত এই আধ্যাত্মিক গানের প্রকৃত গীতিকার হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করেছেন লোকশিল্পী ‘ভিখারি গিতিকার দেলোয়ার দেওয়ান’।

তাঁর দাবি, গানের মূল রচয়িতা তিনি হওয়া সত্ত্বেও দেশের নামিদামি শিল্পীরা গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পরিবেশন করছেন, কিন্তু তাঁর নামের অন্তরা (ভণিতা) বাদ দিয়ে তাঁকে ন্যায্য প্রাপ্তি ও মেধার মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

২০১২-১৩ সালের সৃষ্টি ও সাক্ষী

দেলোয়ার দেওয়ান জানান, আনুমানিক ২০১২ বা ২০১৩ সালে চরম অভাব-অনটনের মাঝে তিনি গানটি রচনা করেন। গানটির পেছনে তাঁর মেধা ও অনুভূতির সাক্ষী হিসেবে তিনি গীতিকার সুব্রত পালের নাম উল্লেখ করেন; যাঁর সাথে যৌথ সান্নিধ্যে গানটির কিছু চরণ পরিমার্জিত হয়েছিল।

এছাড়া তাঁর প্রথম ওস্তাদ বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সিকদার (টাঙ্গাইল)-এর ক্লাবে গানটি অসংখ্যবার গাওয়া হয়েছে। তাঁর দ্বিতীয় ওস্তাদ কিশোরগঞ্জের বাউল মহসিন দেওয়ানও গানটির রচয়িতা হিসেবে দেলোয়ারের বিষয়টি অবগত আছেন।

ডায়েরি হারানো ও শিল্পীদের কাছে ধর্না

তিনি জানান, ২০১৪ সালে মনের ভুলে গাড়িতে লালন সাঁইজির গানের বই ও মূল্যবান দলিলের সাথে তাঁর মূল গানের খাতাটি হারিয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০১৬-১৭ সালের দিকে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আশিকসহ দেশের একাধিক শিল্পীর কণ্ঠে গানটি বেতারে ও টেলিভিশনে জনপ্রিয় হতে দেখেন তিনি। শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে কেউ সহমর্মিতা প্রকাশ করে প্রমাণের কথা বলেন, আবার কেউ কেউ যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

এমনকি বাংলাদেশ বাউল সমিতির সভাপতি বাউল কাজল দেওয়ানের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করলেও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে কার্যকর কোনো সুরহা পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আর্থিক সংকটে আইনি লড়াইয়ের সামর্থ্য নেই

অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান দেলোয়ার দেওয়ান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি গানকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। গানটির আইনি স্বীকৃতির পেছনে যে কয়েক হাজার টাকা ব্যয় করব, সেই সামর্থ্য আমার নেই। দেশের গুণী বাউল শিল্পী, গীতিকার এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে আমি সুবিচার চাই। আমি বেঁচে থাকতে যেন নিজের সৃষ্টির মর্যাদাটুকু দেখে যেতে পারি।”

 

এস এম সোহাগ ফরাজী

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd