ডা. ইসরাত জাহান মৌকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, অভিযুক্তের গ্রেফতার দাবি
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. ইসরাত জাহান মৌকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগ ও বিভিন্ন প্রচারণাকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের লতিবাবাদ ইউনিয়ন শাখার সদস্য সচিব ওমর ফারুক ইসলাম সাগর এক বিবৃতিতে বলেন, একজন ডিউটিরত নারী এমবিবিএস চিকিৎসককে ধাক্কা দেওয়ার মতো ঘটনার বিচার না চেয়ে উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের লেখালেখি হচ্ছে। একজন ভালো ও সৎ মানুষের পক্ষে কথা বলার দায়িত্ববোধ থেকেই আমি এ বিষয়ে বক্তব্য দিচ্ছি। ডা. ইসরাত জাহান মৌ একজন দায়িত্বশীল ও মানবিক চিকিৎসক। তাঁর বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ডিউটিরত অবস্থায় ডা. ইসরাত জাহান মৌকে উয়াবদুল্লাহ নামের এক ব্যক্তি ধাক্কা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ঘটনার পর উয়াবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করেন, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ওমর ফারুক ইসলাম সাগরসহ স্থানীয় সচেতন মহল। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত উয়াবদুল্লাহর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে কিশোরগঞ্জে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, একজন চিকিৎসকের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।