• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
লালমনিরহাটে এইচএসসিতে চরম বিপর্যয়: পাসের হার নেমেছে ৪৬.৭১ শতাংশে, ৬ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ ভাঙচুর মিরপুর ১ গার্মেন্টস শ্রমিকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া গার্মেন্টস সহ বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সেও ইটপাটকেল ছুড়ে কাচ ও সাটার ভাঙচুর করা হয়। বিশ্বনাথে আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা চোখে আলো নেই, তবু জ্ঞানের দ্যুতিতে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তাহমিনা মৌমি সিলেটে এইচএসসিতে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫০.৯০%: বরাবরের মতো এগিয়ে মেয়েরা | বালাগঞ্জে মোটরসাইকেল হাওরে পড়ে তরুণ ফুটবলার সাইফুরের মৃ/ত্যু ৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ: নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ হাতীবান্ধায় ৩ জনকে আহত করা চিতাবাঘের সন্ধান মেলেনি সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ।

লালমনিরহাটে এইচএসসিতে চরম বিপর্যয়: পাসের হার নেমেছে ৪৬.৭১ শতাংশে, ৬ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

মিলন কুমার / ২৪ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

লালমনিরহাটে এইচএসসিতে চরম বিপর্যয়: পাসের হার নেমেছে ৪৬.৭১ শতাংশে, ৬ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি (মিলন কুমার):

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে লালমনিরহাট জেলায় বড় ধরনের বিপর্যয় ও চরম হতাশাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। জেলায় গড় পাসের হার নেমে এসেছে মাত্র ৪৬ দশমিক ৭১ শতাংশে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি; অর্থাৎ শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

প্রকাশিত ফলাফল ও জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর লালমনিরহাট জেলা থেকে সর্বমোট ৭ হাজার ৪৫৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৪৮২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৩ জন। জেলায় সর্বোচ্চ সাফল্য সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১০২ জন শিক্ষার্থী।

ছাত্রীদের চেয়ে পিছিয়ে ছাত্ররা:

উত্তীর্ণদের লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ২ হাজার ১১৯ জন।

হিসেব অনুযায়ী, ছাত্রদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪০ দশমিক ৮৭ শতাংশে। অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

৬ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ অকৃতকার্য:

ফলাফলে দেখা যায়, জেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, যাদের একজনও কৃতকার্য হতে পারেননি।

উপজেলাভিত্তিক তথ্যে জানা গেছে—কালীগঞ্জ উপজেলার তিনটি, হাতীবান্ধা উপজেলার দুটি এবং আদিতমারী উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে আদিতমারী উপজেলার গন্ধমরুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া মাত্র দুজন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।

তদারকি ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন:

সীমান্তবর্তী এই জেলায় সামগ্রিক পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়া এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের এমন নজিরবিহীন ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থা, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতি, শিক্ষক সংকট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকির অভাব নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন অভিভাবক মহল।

স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে জেলা শিক্ষা প্রশাসনের কার্যকর মনিটরিং, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক দুর্বলতা চিহ্নিত করে ফলাফল বিশ্লেষণ এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

 

দৈনিক জীবনযাত্রা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd