• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে দেশীয় অ-স্ত্র-স-হ তরুণ গ্রেপ্তার, মূল অভিযুক্ত পলাতক আর নয় বিদ্বেষ’: ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথ-কামালবাজার সড়কের বেহাল দশা: জনদুর্ভোগ চরমে, দ্রুত সংস্কারের দাবি সিলেটের মির্জাজাঙ্গালে ভাড়া বাসা থেকে চিকিৎসকের ঝু/ল/ন্ত ম-র-দে-হ উদ্ধার বাসযাত্রীর লুঙ্গির কোচায় টাকা দেখে হ-ত্যা-র ছক: এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ ফেলে পালায় চালক-সুপারভাইজার, গ্রেপ্তার ৩ মন্ত্রী গেলেন, অনিয়ম রয়েই গেল: ওসমানী হাসপাতালে সিটের জন্য বাণিজ্য, ডাক্তারদের দায়িত্ব ফাঁকি সিলেটের ৪ রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ‘পাঁচ ভাই’ ও ‘বেঙ্গল লাউঞ্জ’কে জরিমানা সিলেটে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি ১৫ সেপ্টেম্বর সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ পাবনায় দুর্বৃত্তদের গু-লি-তে বিএনপি নেতা আদম আলী নি-হ-ত: পেছনে কিশোরী হ-ত্যা মামলার যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে পুলিশ

মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ১৪ ছাত্রের মধ্যে ৬ জনকেই ব-লা-ৎ-কা-র: পলাতক শিক্ষক মাহবুবুর গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

শাহ্ তোফাজ্জল হোসেন ভানডারী / ২৪ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নড়াইলে হেফজ বিভাগের ১৪ ছাত্রের মধ্যে ৬ জনকেই বলাৎকার: পলাতক শিক্ষক মাহবুবুর গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার / শাহ তোফাজ্জুল হোসেন ভান্ডারী: নড়াইল সদরের একটি মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছয়জন শিশু শিক্ষার্থীকে ধারাবাহিক বলাৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভোরে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্তের পরিচয় ও মাদরাসার প্রেক্ষাপট

গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় ‘তাফসীর উদ্দিন হাফেজিয়া মাদরাসা’র হেফজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওই মাদরাসাটিতে বর্তমানে মাত্র দুজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির হেফজ বিভাগে মোট ১৪ জন শিশু শিক্ষার্থী আবাসিক হিসেবে পড়ালেখা করছে। এর মধ্যে ছয়জন শিক্ষার্থীই ওই শিক্ষকের লালসার শিকার হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার প্রকাশ ও মামলা দায়ের

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট বিকেলে ভুক্তভোগী এক শিশুর মা মাদরাসায় তাঁর সন্তানের খোঁজখবর নিতে আসেন। এ সময় শিশুটি কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার মাকে জানায়, আগের দিন অর্থাৎ ২৭ আগস্ট রাতে শিক্ষক মাহবুবুর রহমান তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেছেন। ঘটনাটি শুনে শিশুটির মা মাদরাসার অপর শিক্ষককে বিষয়টি অবহিত করেন।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মাদরাসার হেফজ বিভাগের আরও পাঁচজন শিশু শিক্ষার্থী সাহস করে মুখ খোলে। তারাও অভিযোগ করে জানায়, গত কয়েক দিন ধরে শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বিভিন্ন সময়ে কৌশলে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের ওপরও পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন। পুরো বিষয়টি মাদরাসা ও স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে ২৮ আগস্ট অভিযুক্ত শিক্ষক গোপনে মাদরাসা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিশুর মা বাদী হয়ে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নড়াইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিক্ষক মাহবুবুর রহমানকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান ও গ্রেপ্তার

মামলা দায়েরের পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। সদর থানার একটি চৌকস দল প্রযুক্তির সহায়তায় পলাতক শিক্ষকের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর রবিবার ভোরে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে নড়াইলে নিয়ে আসে।

নড়াইল সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষককে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড আবেদনসহ জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুদের ডাক্তারি পরীক্ষা (মেডিকেল টেস্ট) সম্পন্ন করতে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd