• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
১১ বছরে বিয়ে, ১৩তেই মা: দুই মাস পর লিগ্যাল এইডের আইনি লড়াইয়ে সন্তানকে বুকে পেল কিশোরী বিশ্বনাথে বসতঘর থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গুলশান থেকে গ্রেফতার: শাপলা চত্বরের মামলায় অ্যাকশন সিলেটে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন: ১৩ উপজেলা কমিটি ও জুলাই পদযাত্রার সূচি ঘোষণা, হবিগঞ্জে হামলার বিচার দাবি সিলেটে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ: মোগলবাজারে চাঞ্চল্য পটুয়াখালীতে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুব জামায়াত সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা, সিআইডি প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন জুলাই নিয়ে যেকোনো অপতৎপরতা বিএনপি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে: সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রায়’ হামলার প্রতিবাদ: মৌলভীবাজারের কর্মসূচি স্থগিত করে এনসিপির বিক্ষোভের ডাক শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ: ৯৯৯-এ কলে দম্পতি উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

হাফিজুল ইসলামকে হত্যাচেষ্টায় গুলি, প্রাণ গেল যুবদল কর্মী ইউসুফের: চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

Reporter Name / ২০ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

হাফিজুল ইসলামকে হত্যাচেষ্টায় গুলি, প্রাণ গেল যুবদল কর্মী ইউসুফের: চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

দৈনিক জীবনযাত্রা ।

 

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্য ছিলেন নেতা হাফিজুল ইসলাম বাবু, কিন্তু তল্লাশি চালাতে গিয়ে বন্দুকধারীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত মূল আসামিদের পরিকল্পনা ও অস্ত্র হস্তান্তরের রোমহর্ষক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীরা প্রথমে হাফিজের গ্যারেজে একত্রিত হয়। সেখানে নাহিদ নামের একজনের কাছ থেকে জিহাদ দুটি লোড করা (গুলিভর্তি) পিস্তল গ্রহণ করে। পরবর্তীতে লোড করা পিস্তল দুটির একটি জিয়ারুল এবং অপরটি চঞ্চলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

যেভাবে সাজানো হয় হত্যা পরিকল্পনা

অস্ত্র নিশ্চিত করার পর জিয়ারুল, চঞ্চল, হাসান, জিহাদ, মাসুম বিল্লাহসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জন হাফিজুল ইসলাম বাবুকে সরাসরি হত্যার উদ্দেশ্যে তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়।

পুরো কিলিং মিশনটি মসৃণ করতে রেকি ও তথ্যের ওপর জোর দিয়েছিল হামলাকারীরা। সিএনজি হাফিজের কর্মচারী শাফিন এবং জিয়ারুলের আত্মীয় আলী হোসেন ঘটনাস্থল রেকি করা, হামলা শেষে আসামিদের নিরাপদে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা এবং ঘটনার পর পুলিশের তৎপরতা ও এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহের দায়িত্বে ছিল।

সন্দেহের জেরে তল্লাশি চালাতে গিয়ে প্রাণহানি

ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হাফিজুল ইসলাম বাবু তার কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সেখানে ওত পেতে থাকা অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তিকে দেখে সন্দেহ হলে বাবু তাদের পরিচয় জানতে চান।

একপর্যায়ে তাদের দেহ তল্লাশি করার চেষ্টা করা হলে অভিযুক্তদের মধ্য থেকে একজন হঠাৎ পিস্তল বের করে সরাসরি গুলি চালায়। এতে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যুবদল কর্মী মো. ইউসুফের বুকে গুলি লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি, মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

এস এম সোহাগ ফরাজী

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd