সোশ্যাল মিডিয়ায় ফুটবলের রেফারিং নিয়ে ঢাবি শিক্ষিকার মন্তব্য, চলছে আলোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক | ৮ জুলাই, ২০২৬
ঢাকা: চলমান ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ম্যাচ ও এর রেফারিং পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শেহরিন আমিন ভূঁইয়া মোনামি। তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি বর্তমানে বিভিন্ন মহলে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।
যা লিখেছেন শিক্ষিকা
নিজের ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেহরিন আমিন ভূঁইয়া লেখেন, “এখন তো আমারই খারাপ লাগছে, লাস্টের গোলের আগে ফাউল হলো কি না হলো VAR চেক করা উচিত ছিল। জিতলে, fair and square জিততাম। মনে খুঁতখুঁত নিয়ে নাহ। ধ্যাৎ!”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া
শিক্ষিকার এই স্ট্যাটাসের পর তার টাইমলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তার পোস্টটির পরিপ্রেক্ষিতে দুটি ভিন্ন মত লক্ষ্য করা যাচ্ছে:
সমর্থক গোষ্ঠী: একদল ফুটবলপ্রেমী মনে করছেন, একজন দর্শক হিসেবে তিনি তার ব্যক্তিগত আবেগ ও মতামত প্রকাশ করেছেন। ফুটবল খেলাকে ঘিরে দর্শকদের এমন প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক এবং ভিএআর (VAR) নিয়ে প্রশ্ন তোলা অনেক দর্শকেরই দীর্ঘদিনের দাবি।
অন্যান্য মত: অন্যদিকে, অনেকের মতে, একজন শিক্ষকের সামাজিক অবস্থানে থেকে এ ধরনের মন্তব্য করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আবেগের চেয়েও বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা অধিকতর শোভন। এছাড়া, খেলার ফলাফল নিয়ে অনলাইনে এমন উত্তপ্ত আলোচনা অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের জন্ম দেয় বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতামত
খেলার মাঠে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রেফারিং নিয়ে বিতর্ক নতুন কোনো বিষয় নয়। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ভিএআর প্রযুক্তি মাঠে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হলেও, প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা কিংবা পরিচালনার পদ্ধতির কারণে প্রায়ই মাঠের সিদ্ধান্তের সঙ্গে প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক থেকে যায়।
শিক্ষিকার ব্যক্তিগত এই পোস্টটি খেলার প্রতি তার আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার পক্ষ থেকে কোনো অতিরিক্ত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
দৈনিক জীবন যাএা
এস এম সোহাগ ফরাজী