• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভাঙচুর মিরপুর ১ গার্মেন্টস শ্রমিকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া গার্মেন্টস সহ বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সেও ইটপাটকেল ছুড়ে কাচ ও সাটার ভাঙচুর করা হয়। বিশ্বনাথে আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা চোখে আলো নেই, তবু জ্ঞানের দ্যুতিতে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তাহমিনা মৌমি সিলেটে এইচএসসিতে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫০.৯০%: বরাবরের মতো এগিয়ে মেয়েরা | বালাগঞ্জে মোটরসাইকেল হাওরে পড়ে তরুণ ফুটবলার সাইফুরের মৃ/ত্যু ৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ: নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ হাতীবান্ধায় ৩ জনকে আহত করা চিতাবাঘের সন্ধান মেলেনি সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ। চার বছর পর বাড়ি ফেরা হলো না জাহেদের, দোহা বিমানবন্দরে প্রাণ গেল প্রবাসীর

মুক্তাগাছায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা: লজিং শিক্ষক ও ইমাম গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১১১ Time View
Update : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

মুক্তাগাছায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা: লজিং শিক্ষক ও ইমাম গ্রেপ্তার

মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ

 

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৫ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. আব্দুল্লাহ নামে এক লজিং শিক্ষক ও স্থানীয় মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের মাধ্যমে অন্তঃসত্ত্বা করে ফেলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে কিশোরীটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খেরুয়াজানী ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ উপজেলার ভিটিবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী কিশোরীর ফুফাতো ভাইয়ের সহপাঠী হওয়ার সুবাদে তাদের বাড়িতে লজিং থাকতেন। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। কিশোরীর বাবা-মা ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করায় সে গ্রামের বাড়িতে দাদির কাছে থাকতো।

অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ২২ নভেম্বর রাতে পড়াশোনার সময় আব্দুল্লাহ কিশোরীর কক্ষে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভয় ও সামাজিক লজ্জার কারণে দীর্ঘ সময় বিষয়টি গোপন রাখে কিশোরী।

পরবর্তীতে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে দাদির সন্দেহ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরীক্ষায় জানা যায়, সে ২৭ সপ্তাহের বা প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এরপরই সে পুরো ঘটনার বিবরণ দেয়। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে মেয়ের বাবা থানায় মামলা করেন।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য

ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন কাউকে কিছু বলতে পারেনি। বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই কিশোরী তার অনাগত সন্তানের সামাজিক স্বীকৃতি ও ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।

**পুলিশের ভাষ্য**

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন  করা হয়েছে।

 

দৈনিক জীবন যাএা

এস এম সোহাগ ফরাজী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd