• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বিশ্বনাথে মারামারির আসামি ধরতে গিয়ে ধস্তাধস্তি: ৫ পুলিশ সদস্য আহত, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার জুমার নামাজে সেজদারত অবস্থায় যুবককে ছু-রি-কা-ঘা-ত: ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে র-ক্তা-ক্ত বাবা কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: বাণিজ্য ও জনশক্তি খাতে জোর জাতিসংঘ সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সিলেটে এসএমপির সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৯৩, ১৪০ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা রূপগঞ্জে বাংলাদেশ তরিকত পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত: পীর-মাশায়েখদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক বিশ্বনাথে খাজাঞ্চী ইউপি সদস্য ও পল্লীচিকিৎসক পংকজ বিহারী দাসের পরলোকগমন: এলাকায় গভীর শোক গানে মিলিয়ন ভিউ হলে বড় শিল্পী হওয়া যায় না, তাহলে হিরো আলম গানের ওস্তাদ হত। দিনা মন্ডল রূপগঞ্জে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান: ৩০০ বোতল বিদেশী মদ ও ২টি প্রাইভেটকারসহ আটক ৬

বিশ্বনাথে মারামারির আসামি ধরতে গিয়ে ধস্তাধস্তি: ৫ পুলিশ সদস্য আহত, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

শাহ্ তোফাজ্জল হোসেন ভানডারী / ২৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্বনাথে মারামারির আসামি ধরতে গিয়ে ধস্তাধস্তি: ৫ পুলিশ সদস্য আহত, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

সিলেট প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে একটি নিয়মিত মারামারির মামলার আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে আসামিপক্ষের তীব্র ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এতে অভিযান পরিচালনাকারী থানা পুলিশের পাঁচজন সদস্য আহত হয়েছেন। তবে পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলে মামলার এজাহারভুক্ত দুই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্বনাথ পৌর শহরের মছতুরা আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার পূর্ব চানসিরকাপন গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় বিএনপি নেতা কদর আলী (৪৭) এবং তাঁর ছেলে ইমন মিয়া (২৩)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম শ্বাসরাম গ্রামের মৃত ছোয়াব আলীর ছেলে নজরুল ইসলামের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে কদর আলীর তর্কাতর্কি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় কদর আলী ও তাঁর লোকজনের হামলায় নজরুল ইসলাম মারাত্মক রক্তাক্ত ও আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনার পরপরই আহতের পক্ষ থেকে নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে কদর আলী ও তাঁর ছেলে ইমন মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় একটি লিখিত মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৬)।

মামলা রুজুর পর আসামিরা পৌর এলাকার মছতুরায় অবস্থান করছেন এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে সরাসরি বাধা দিয়ে আক্রমণাত্মক ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধস্তাধস্তি ও হামলায় থানার পাঁচজন পুলিশ সদস্য শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

পরবর্তীতে খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকেই মামলার দুই প্রধান আসামি কদর আলী ও তাঁর ছেলে ইমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মারামারির মামলার আসামিদের ধরতে গেলে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হয়। এতে আমাদের পাঁচ পুলিশ সদস্য কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। সরকারি কাজে বাধা ও মারামারির ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

এস এম সোহাগ ফরাজী

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd