• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ: নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ হাতীবান্ধায় ৩ জনকে আহত করা চিতাবাঘের সন্ধান মেলেনি সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ। চার বছর পর বাড়ি ফেরা হলো না জাহেদের, দোহা বিমানবন্দরে প্রাণ গেল প্রবাসীর লংমার্চের প্রচার মিছিলে জামায়াত নেতার মৃ/ত্যু কলেজের জানালা-গ্রিল ও ফ্যান চু/রির অভি/যোগে ছাত্রদল সভাপতি আ/টক ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আ.লীগ নেতার : ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধার ম-র-দে-হ উদ্ধার জাপানে চার দিনের সফল সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:

চাঁদপুরে এসকে শিল্পালয়ের মালিক পিন্টু দাসসহ পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ: স্বর্ণ বন্ধক ও ঋণ জটিলতার অভিযোগ

শাহ্ তোফাজ্জল হোসেন ভানডারী / ৩৮ Time View
Update : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

চাঁদপুরে এসকে শিল্পালয়ের মালিক পিন্টু দাসসহ পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ: স্বর্ণ বন্ধক ও ঋণ জটিলতার অভিযোগ

শাহ তোফাজ্জুল হোসেন ভান্ডারী, স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুর শহরের স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘এসকে শিল্পালয়’-এর স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাস স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের চার সদস্য নিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) পিন্টু দাসের নিকটাত্মীয় এবং চাঁদপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে তাঁদের নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয়

নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন—

পিন্টু দাস (স্বত্বাধিকারী, এসকে শিল্পালয়)

তাঁর স্ত্রী রিমি দাস

বড় ছেলে প্রিয়ম দাস

ছোট ছেলে রুপম দাস

ঋণ ও স্বর্ণ বন্ধক নিয়ে জটিলতার অভিযোগ

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পিন্টু দাস পরিবার নিয়ে চাঁদপুর শহরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাঁর মূল বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে হলেও চাঁদপুর শহরের মদিনা মার্কেটে প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তিনি।

স্বজনদের ভাষ্যমতে, তিনি বিভিন্ন কারণে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন বলেও জানা যায়। এর কিছুদিন পর থেকেই তিনি সপরিবারে নিখোঁজ হন।

এদিকে স্থানীয় গ্রাহকদের দাবি, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধকের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান অভিযোগ করেন, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার ৫০ হাজার টাকায় পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রেখেছিলেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণ নিতে গেলে তাঁকে পরদিন আসতে বলা হয়। এরপরই তিনি সপরিবারে নিখোঁজ হওয়ার খবর পান।

এছাড়া দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখেছিলেন বলে দাবি করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সমিতি থেকে বড় অঙ্কের ঋণ এবং বন্ধকি স্বর্ণের দায় এড়াতে তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে চলে গিয়ে থাকতে পারেন।

পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য

চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদাউস জানান, ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় সপরিবারে আত্মগোপনে চলে যান, তবে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে খুঁজে বের করা বেশ জটিল হয়ে পড়ে।

চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, পিন্টু দাসসহ তাঁর পরিবারের চারজন সদস্য নিখোঁজ থাকার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd