• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মাওলা আলী ঐক্য ফাউন্ডেশনের ৩৮ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় সাময়িক কমিটি ঘোষণা সিলেট নগরীর লালবাজারের হোটেল থেকে হাসান মার্কেটের ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিশ্বনাথে আদম ব্যবসার বিরোধে সংঘর্ষের মামলা: আদালতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর, ৫ জন কারাগারে সিলেটে সারজিস আলমের গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ: গোলাপগঞ্জে উত্তাপ সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্লুবার্ড স্কুল এন্ড কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মুরাদ আহমদের মর্মান্তিক মৃত্যু বাকেরগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত: মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করার অঙ্গীকার এমপি আবুল হোসেন খানের ১১ বছরে বিয়ে, ১৩তেই মা: দুই মাস পর লিগ্যাল এইডের আইনি লড়াইয়ে সন্তানকে বুকে পেল কিশোরী বিশ্বনাথে বসতঘর থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গুলশান থেকে গ্রেফতার: শাপলা চত্বরের মামলায় অ্যাকশন সিলেটে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন: ১৩ উপজেলা কমিটি ও জুলাই পদযাত্রার সূচি ঘোষণা, হবিগঞ্জে হামলার বিচার দাবি

রূপগঞ্জের ঘটনা নিয়ে দৈনিক ফিনিক্স বাংলার সম্পাদক এ_আর জাফরী, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান ‎

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

রূপগঞ্জের ঘটনা: বলপ্রয়োগ ও ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সম্পাদকীয় প্রকাশ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২ জুলাই ২০২৬

 

রূপগঞ্জে একটি ওরশ মাহফিলকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনাকে সামনে রেখে দৈনিক ফিনিক্স বাংলা একটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক এ আর জাফরী রচিত সম্পাদকীয়তে ধর্মীয় সম্প্রীতি, আইনের শাসন এবং উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

“বলপ্রয়োগ ও উগ্রবাদ বনাম শান্তির ইসলাম: রূপগঞ্জের ঘটনা এবং আমাদের করণীয়” শিরোনামের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে তার নিজস্ব শান্তিপ্রিয় মতাদর্শ প্রচার, প্রসার এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার দিয়েছে। তাই কারও ধর্মীয় দর্শন বা শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানে বলপ্রয়োগ করে বাধা দেওয়ার অধিকার আইন বা সমাজ কাউকেই দেয়নি।

 

সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি রূপগঞ্জে একটি ওরশ মাহফিলে বলপ্রয়োগে বাধা দেওয়ার ঘটনা এবং এর বিপরীতে স্থানীয় আলেম সমাজের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগজনক বলে বিবেচিত হচ্ছে।

 

এতে আরও বলা হয়, ইসলামের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ইসলাম কোনো বলপ্রয়োগ বা উগ্রতার মাধ্যমে নয়; বরং উদারতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভালোবাসার মাধ্যমে বিস্তার লাভ করেছে। ইসলাম কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একচ্ছত্র সম্পত্তি নয় এবং উগ্রবাদের সঙ্গে শান্তির ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও সম্পাদকীয়তে মন্তব্য করা হয়েছে।

 

সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, মানুষের কাছে দাওয়াত বা আদর্শ পৌঁছে দেওয়ার পথ হলো যুক্তি, প্রজ্ঞা ও ভালোবাসা। অন্যের ওপর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে মত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা রাষ্ট্র, মানবতা ও ইসলামের শিক্ষার পরিপন্থী। একই সঙ্গে ব্যক্তিস্বাধীনতা বা প্রগতির নামে সমাজ, জনশৃঙ্খলা কিংবা ইসলামী সংস্কৃতির বিরুদ্ধে উসকানিমূলক অবস্থান নেওয়াও আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ আর জাফরী তার সম্পাদকীয়তে মত প্রকাশ করেন, দেশে উগ্রবাদ এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা জাতীয় শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তিনি মনে করেন, দেশের শান্তিপ্রিয় আলেম সমাজ, দায়িত্বশীল ইসলামী দল এবং সরকারের উচিত এ ধরনের উগ্রতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করা।

 

সম্পাদকীয়তে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, রূপগঞ্জের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ধর্ম বা সংস্কৃতির নামে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

সম্পাদকীয়র উপসংহারে বলা হয়, একটি শান্তিময়, সহনশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের জন্য বলপ্রয়োগের রাজনীতি, ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতির কোনো স্থান থাকা উচিত নয়। আইনের শাসন, পারস্পরিক সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতিই হতে পারে দেশের স্থিতিশীল উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি।

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd