সিলেটের যানজট কমাতে অবৈধ সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ এসএমপি কমিশনারের
নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক জীবনযাত্রা
সিলেট প্রতিনিধি: শাহ তোফাজ্জুল হোসেন ভান্ডারী
সিলেট:
সিলেট মহানগরীর দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে অনিবন্ধিত সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও সকল প্রকার অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৮টায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ট্রাফিক বিভাগের মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দেন।
সভায় পুলিশ কমিশনার নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা তদারকির দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যদের সুবিধা-অসুবিধা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেন এবং অবশিষ্ট সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দপ্তরগুলোকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভাপতির বক্তব্যে এসএমপি কমিশনার বলেন, “সিলেট মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থার শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি সদস্যকে শতভাগ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শহরকে স্থবির করে দেওয়া অনিবন্ধিত সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার, অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রুট পারমিটবিহীন অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”
তিনি আরও গুরুত্বারোপ করে বলেন, জনসাধারণের নিত্যদিনের ভোগান্তি কমানোই ট্রাফিক পুলিশের মূল অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এ লক্ষ্যে নগরীর প্রতিটি পয়েন্টে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান জোরদারের পাশাপাশি পথচারী ও চালকদের ট্রাফিক আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোরও তাগিদ দেন তিনি।
সভায় ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরের ট্রাফিক সার্জেন্ট, টিআই ও কনস্টেবলরা উপস্থিত ছিলেন।
এসইও মেটা বিবরণ (SEO Meta Description):
সিলেট নগরীর যানজট নিরসনে অবৈধ সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক জীবনযাত্রায়।
এস এম সোহাগ ফরাজী