• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বাউল অঙ্গনে কাদা ছোড়াছুড়ি ও গ্রুপিং বন্ধের আহ্বান: শৃঙ্খলা রক্ষায় শাহ তোফাজ্জুল হোসেন ভান্ডারীর জরুরি বিজ্ঞপ্তি এসএমপিতে সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা: আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কমিশনারের কড়া নির্দেশনা, সফল অফিসারদের পুরস্কৃত আর নয় বিদ্বেষ, সবার জন্য বাংলাদেশ’: কুষ্টিয়ায় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য রক্ষায় নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত করিমগঞ্জে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে ব/জ্রা/ঘা/তে আপন চাচা-ভাতিজার করুণ মৃ/ত্যু: পরিবারজুড়ে শোকের মাতম গোপনে গোসলরত নারীদের ছবি তোলার অভিযোগ: বানিয়াচংয়ে দুই পক্ষের রণক্ষেত্র, নারী-শিশুসহ আহত অর্ধশতাধিক গানবাজনায় কওমি ছাত্রদের আপত্তি: অনুষ্ঠান স্থগিতের দাবিতে স্মারকলিপি, কনসার্টের কথা অস্বীকার কর্তৃপক্ষের নবীগঞ্জে কিশোরী জুবাকে ধ-র্ষ-ণে-র পর নৃশংস হ-ত্যা: ২ আসামির ফাঁ-সি-র আদেশ, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড পদ্মায় নৌকাডুবি: ৮০ মিনিট ভেসে থাকা ২০ দিনের শিশুকে উদ্ধার করে কোলে নিল বিজিবি, অলৌকিক জীবন ফিরে পেল তানিশা মদিনার ঐতিহাসিক মসজিদে কুবায় বাউল শিল্পী পুতুল দেওয়ান: জানালেন আত্মিক অনুভূতি ইলিয়াস ভুল মানুষকে নিয়ে কল্পকাহিনী বানাচ্ছে’: কুয়েতি রাষ্ট্রদূত ও ভাইরাল ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেঘনা আলম

বন্দির চাপ ও ভোগান্তি কমাতে চট্টগ্রাম বিভাগের ৭ উপজেলায় ‘সাব-জেল’ নির্মাণের প্রস্তাব

শাহ্ তোফাজ্জল হোসেন ভানডারী / ১৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বন্দির চাপ ও ভোগান্তি কমাতে চট্টগ্রাম বিভাগের ৭ উপজেলায় ‘সাব-জেল’ নির্মাণের প্রস্তাব

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক জীবনযাত্রা

চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম বিভাগের বিদ্যমান কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বন্দির অস্বাভাবিক চাপ সামাল দিতে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের আসামিদের আদালতে আনা-নেওয়ার ভোগান্তি লাঘবে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভাগের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় ‘সাব-জেল’ বা উপ-কারাগার নির্মাণের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব কারা অধিদপ্তরে জমা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারা কর্তৃপক্ষ।

প্রস্তাবিত উপজেলাগুলো হলো—চট্টগ্রামের পটিয়া, সন্দ্বীপ ও বাঁশখালী; কক্সবাজারের চকরিয়া ও মহেশখালী; নোয়াখালীর হাতিয়া এবং বান্দরবানের লামা। এসব উপজেলায় সাব-জেল নির্মাণের বিস্তারিত রূপরেখা কারা অধিদপ্তরে পাঠিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. ছগির মিয়া।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “ব্রিটিশ শাসনামলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিচারপ্রার্থী মানুষের বিচারিক কার্যক্রম সহজ করতে বিভিন্ন জেলায় চৌকি আদালত স্থাপন করা হয়েছিল। শত বছর পার হলেও এখনো পর্যন্ত এসব দূরবর্তী চৌকি আদালতের বন্দিদের বিচারের জন্য জেলা শহরের কারাগারগুলোতে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়, প্রচুর সরকারি অর্থ ও কর্মঘণ্টা নষ্ট হয় এবং জেলা শহরের কারাগারগুলোতে অস্বাভাবিক ভিড় জমে ওঠে।”

তিনি আরও বলেন, “চৌকি আদালতগুলোতে নিয়মিত বিচারকার্য চলছে। তাই সংলগ্ন এলাকায় সাব-জেল থাকলে আসামিদের শহরে না এনে স্থানীয়ভাবেই রাখা সম্ভব হবে, যা পুলিশ প্রশাসন ও বন্দি উভয়ের ভোগান্তি কমিয়ে আনবে।”

কারা কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগে বর্তমানে ২টি কেন্দ্রীয় কারাগারসহ মোট ১২টি কারাগার চালু রয়েছে। এসব কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি বন্দি রাখা হচ্ছে।

কারাগারগুলোর অনুমোদিত ধারণক্ষমতা:

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার: ২,২৪৯ জন (বর্তমানে অবস্থান করে প্রায় ৭,০০০ জন)

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার: ১,৭৪২ জন

কক্সবাজার জেলা কারাগার: ৮৩০ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার: ৭৮০ জন

নোয়াখালী জেলা কারাগার: ৫০০ জন

চাঁদপুর জেলা কারাগার: ৪৭৫ জন

ফেনী জেলা কারাগার-১: ৩৯২ জন ও কারাগার-২: ১৭২ জন

লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার: ২৯৫ জন

রাঙামাটি জেলা কারাগার: ১৪৫ জন

বান্দরবান জেলা কারাগার: ১১৪ জন

খাগড়াছড়ি জেলা কারাগার: ৮১ জন

সব মিলিয়ে বিভাগটিতে প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৫ হাজার বন্দি অতিরিক্ত অবস্থান করে থাকে। ডিআইজি প্রিজন্স ছগির মিয়া জানান, সরকারের উচ্চপর্যায়ে অনুমোদনের লক্ষ্যেই প্রস্তাবনাটি কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতা সমন্বয়ের পাশাপাশি বন্দি ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি আধুনিক ও নিরাপদ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd