বাঁশখালীর বন্যা দুর্গতদের পাশে ‘দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলা’: পুনর্বাসনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা মুফতি তাহেরীর
আঞ্চলিক ডেস্ক | দৈনিক জীবনযাত্রা:
চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলা বাঁশখালীর বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসনে সরাসরি অংশ নেবে ‘দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলা’।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আল্লামা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় এই মানবিক উদ্যোগের কথা নিশ্চিত করেছেন।
জরুরি খাবারের পাশাপাশি হবে ঘরবাড়ি নির্মাণ
সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের অন্যতম উপকূলীয় অঞ্চল বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে চরম সংকটে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বহু পরিবারের কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি বন্যার পানির তোড়ে পুরোপুরি ধসে গেছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দুর্গতদের কেবল তাৎক্ষণিক খাদ্য সহায়তা দেওয়াই শেষ নয়, বরং তাদের স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আল্লামা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী জানান, তাঁর সংগঠন ‘দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলা’ বন্যা কবলিত দুর্গত মানুষের মাঝে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি গৃহহীন হয়ে পড়া পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণে আর্থিক ও ব্যবহারিক সহযোগিতা নিয়ে মাঠে থাকবে।
“আমরা মানুষের রক্তের ঋণ শোধ করতে চাই” — মুফতি তাহেরী
বন্যা পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়ে আল্লামা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন,
“ইনশাআল্লাহ, বাঁশখালীর বন্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের শুধু খাবারের ব্যবস্থাই নয়, বরং তাদের ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি মেরামত ও নতুন করে মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরিতে আমাদের ‘দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলা’ সরাসরি কাজ করবে। এই সংকটের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের অন্যতম ঈমানী দায়িত্ব।”
তিনি দেশের সর্বস্তরের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক সামাজিক সংগঠনগুলোকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী বাঁশখালীর এই ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।
শীঘ্রই দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলার একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল বাঁশখালীর প্রত্যন্ত বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে পুনর্বাসন ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এস এম সোহাগ ফরাজী।