বাবা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত কক্সবাজারের ঐতিহাসিক ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছে সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেই কক্সবাজারে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে পিএমখালীতে গিয়ে নিজ হাতে কোদাল চালিয়ে পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন। পরে খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছের চারা রোপণ করেন।
পুনঃখনন কর্মসূচিকে ঘিরে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পাতলী গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ খালের পাড়ে সমবেত হন। সকাল থেকেই তারা বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছালে গ্রামবাসীরা হাত নেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
উপস্থিত জনতা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো এলাকা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক পাতলী খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ কিলোমিটার। ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পিএমখালী সফরকালে নিজ হাতে কোদাল চালিয়ে খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন। একই সময় তিনি খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছও রোপণ করেন। প্রায় ৪৮ বছর পরও সেই গাছ অতীতের স্মৃতি বহন করে দাঁড়িয়ে আছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, পাতলী খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন।
দৈনিক জীবন যাএা