চর অঞ্চলের (4G) নেটওয়ার্ক সমস্যা সমাধানে বিটিআরসিতে ‘আলা-ভোলা’ তাজু ভাই ২.০, মিলল আশার বাণী!
নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক জীবনযাত্রা:
পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত চর অঞ্চলের মানুষের মোবাইল ৪জি (4G) নেটওয়ার্কের তীব্র ভোগান্তির কথা সরাসরি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর হেড অফিসে গিয়ে তুলে ধরেছেন দেশের জনপ্রিয় ও সরল-সোজা কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজু ভাই ২.০।
বিটিআরসি-এর প্রধান কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে চর অঞ্চলের নেটওয়ার্ক বিপর্যয় নিয়ে তাঁর একটি ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
চরের মানুষের দুঃখ নিয়ে বিটিআরসিতে তাজু ভাই
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সরলতা আর আলা-ভোলা স্বভাবের জন্য পরিচিত তাজু ভাই ২.০ চর অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের ডিজিটাল অধিকার আদায়ে এবার বিটিআরসি ভবনে হাজির হন। বৈঠকে তিনি চরের মানুষের দুর্বল নেটওয়ার্ক, বারবার কল ড্রপ এবং ধীরগতির ৪জি ইন্টারনেটের কারণে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার যে ক্ষতি হচ্ছে, তা সহজ-সরল ভাষায় কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। বিটিআরসি কর্তৃপক্ষ একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মুখে চর অঞ্চলের এই বাস্তব চিত্র ও জনদুর্ভোগের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং এই বিষয়ে করণীয় নিয়ে কিছু ভালো পরামর্শ প্রদান করেন।
তদন্ত ও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস
বিটিআরসি-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাজু ভাই ২.০-কে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, চরাঞ্চলে মোবাইল নেটওয়ার্কের এই মানহীনতার বিষয়টি খুব শিগগিরই মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিটিআরসি হেড অফিস থেকে বের হয়ে তাজু ভাই ২.০ তাঁর চিরচেনা হাসিমুখে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন,
"আমরা তো সরল-সোজা মানুষ, চরের মানুষের কষ্ট সইতে পারি না। বিটিআরসি যেভাবে আমাদের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনেছে এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে, তাতে আমরা আশাবাদী। খুব শিগগিরই চরের মানুষ নিরবচ্ছিন্ন ৪জি নেটওয়ার্ক সুবিধা পাবেন ইনশাআল্লাহ।"
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং চর অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় আধুনিক টেলিকম সেবা পৌঁছে দিতে তাজু ভাই ২.০-এর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও বিটিআরসি-এর তড়িৎ ইতিবাচক মনোভাবকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চর অঞ্চলের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
এস এম সোহাগ ফরাজী